Pages

Monday, 25 April 2016

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস ও বাবা সাহেব ডঃ বি আর আম্বেদকর



শরদিন্দু উদ্দীপন
সোনারপুর, কলকাতা।

“এমন দিন আসবে যখন আমাদের নিরবতা (ফাঁসি) তোমাদের লড়াইয়ের আওয়াজ থেকেও অধিকতর শক্তিশালী হবে”
১৮৮৬ সালের ৭ই অক্টোবর ফাঁসির আগে এ কথা শুনিয়ে ছিলেন  আগস্ট স্পাইজ । স্পাইজের এই ভাষণ মূলত মে দিবসের এক প্রামান্য দলিল যার থেকে আমরা আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্পর্কে জানতে পারি।
স্পাইজ বলেছিলেন। “ আমরা মানুষকে তাদের বর্তমান পরিস্থিতির সাথে সামাজিক সম্পর্কের কথা জানাতে চেয়েছিলাম। মানুষ যে সামাজিক ব্যবস্থা, সামাজিক কানুন এবং পরিস্থিতির মধ্যে বাস করে আমরা তা বর্ণনা করেছিলাম। আমরা সামাজিক  অসাম্যের মূল কারণগুলি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সমীক্ষা করে প্রশ্নাতীত ভাবে মজুরী ব্যবস্থাকে শ্রমিকদের সামনে আনতে চেয়েছিলাম আমরা আরো  বলেছিলাম যে এই মজুরী ব্যবস্থা হল এমন একটি বিকাশ ব্যবস্থা যা যুক্তি গ্রাহ্য হবে, উন্নততর সভ্যতার পথ দেখাবে এবং সামাজিক সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে। এই তত্ত্ব বা পরিকল্পনা যা আমরা গ্রহণ করেছিলাম তা কেবলমাত্র পছন্দ ছিল তা নয়, ভবিষ্যৎ সমাজ ব্যবস্থার জন্যেও প্রয়োজনীয় ছিল। বর্তমান সামাজিক ব্যবস্থায় বিকাশের এই ঝোঁককে নৈরাজ্য বলে মনে হলেও এটি হবে সার্বভৌম রাজতন্ত্র ও শ্রেণীহীন সমাজ গঠনের প্রক্রিয়া যেখানে নিঃসন্দেহে স্বাধীনতা ও আর্থিক সমতার ভারসাম্য বজায় থাকবে এবং প্রাকৃতিক নিয়মের ভিত গড়ে দেবে”।
(Address of August Spies (October 7, 1886), From Voices of A People's History, edited by Zinn  and Arnove)         
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট হিসেবে বলা যায় যে, ১৭৫০ থেকে ১৮৫০ সময়কালে ঔপনিবেশিক ব্যবসাবানিজ্য, বিপুল পরিমাণ পুঁজি ও বৈজ্ঞানিক  আবিষ্কারের ফলে ইংল্যান্ড তথা ইউরোপের অর্থনীতিতে এক বিস্ময়কর পরিবর্তন সূচীত হয়েছিলএই সময় থেকেই প্রচলিত কৃষিকাজ থেকে রাষ্ট্র ক্রমশ শিল্পায়নের দিকে ঝুঁকে পড়তে থাকেশিল্পের হাত ধরেই সূচনা হয় পুঁজিবাদের।  শিল্পায়নের শর্ত হিসেবে পর্যাপ্ত পুঁজি এবং কাঁচামাল সাথে সাথে প্রয়োজন হয় সস্তা শ্রমিকের যোগান। ফলে শিল্প কারখানা স্থাপনের সাথে সাথে উৎপাদক বা শ্রমজীবী মানুষেরও সমাগম ঘটতে থাকে। পুঁজিবাদ যেহেতু মুনাফার নিরিখে বাঁধা তাই শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থের থেকে উপর্যুপরি উৎপাদন এবং অধিক পরিমাণে মুনাফা হয়ে ওঠে পুঁজিপতিদের প্রধান লক্ষ্যউৎপাদনক্ষেত্রের পরিকাঠামোয় থেকে যায় নানা ত্রুটি। ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার খাটুনি, কম বেতন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, মহিলাদের জন্য অব্যবস্থা, দাসত্ব এবং অমানুষিক জীবনযাপনের এই ত্রুটি বিচ্যুতি ক্রমশ  অসন্তোষের জন্ম দেয়১৮৭২ সালে কানাডায় কলকারখানায় অব্যবস্থা, শ্রমিকদের জীবন ও অধিকার নিয়ে এক বিশাল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। এই শোভাযাত্রার সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে ১৮৮৪ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরের একদল শ্রমিক ৮ ঘণ্টা কাজের জন্য আন্দোলন শুরু করেন। শ্রমিকরা তাদের দাবীগুচ্ছকে ১৮৮৬ সালের ১লা মে’র  মধ্যে কার্যকরী করতে হবে বলে মালিকপক্ষকে সময় বেঁধে দেন। কালাতিক্রান্ত হয়ে যাবার পরেও মালিকপক্ষ এই দাবীগুচ্ছ মেনে না নিলে শ্রমিকেরা আন্দোলন শুরু করে। ১৮৮৬ সালের ৪ঠা মে বিশাল সংখ্যক শ্রমিক  শিকাগোর হেমার্কেট স্কোয়ারে জমা হয়ে মিটিং শুরু করেন। মিটিং এর শেষ পর্যায়ে আচমকা এক বোমা বিস্ফোরণে ৬৬ জন পুলিশকর্মী আহত হলে পুলিশবাহিনী শ্রমিকদের উপর হামলা শুরু করে এতে ১১জন শ্রমিক নিহত হয়। পুলিশবাহিনী অগাস্ট স্পীজ সহ ৮জন শ্রমিক নেতাকে গ্রেপ্তার করে এবং ৬ জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়। ফাঁসির রায় শোনার পর স্পীজ আদালতের উদ্দেশ্যে যে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন সেই বিবৃতিই মূলত মে দিবসের প্রামান্য দলিল।
১৮৯১ সালের আন্তর্জাতিক দ্বিতীয় কংগ্রেসে ১লা মে শ্রমিক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
                                                           
দেশে দেশে শ্রমিক স্বার্থ রক্ষার জন্য নানা আইন তৈরি হলেও পুঁজি নির্ভর অর্থনীতিতে মুনাফা লুন্ঠনের প্রবণতাও বেড়ে চলেছে দিন দিনসামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সমতা  প্রতিষ্ঠার পথে এই প্রবণতা সবথেকে বড় অন্তরায়। অনিবার্য কারণেই আগ্রাসী অর্থনীতি ও অসাম্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে উঠছে নানা দেশে নানা নামে। ঐতিহাসিক কারণেই অগাস্ট স্পীজের সেই মর্মবাণী শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার লাভের পথে এখনো অদম্য শক্তির উৎস স্পেনের ১৫এম মুভমেন্ট, অ্যামেরিকার ওকুপাই মুভমেন্ট, কানাডার এন্টি-কনজুমারিস্ট মুভমেন্ট এই সামাজিক এবং অর্থনৈতিক অসাম্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ শ্রমিক স্বার্থ রক্ষার জন্য এখনো যে স্থিতিশীল কিছু করে উঠতে পারেনি এই  আন্দোলনগুলি তার অন্যতম নিদর্শন।

বিশ্ব শ্রমিক দিবসে ডঃআম্বেদকরের প্রাসঙ্গিকতাঃ   
অধুনা অর্থনৈতিক বিকাশের সাথে সাথে শ্রমিক স্বার্থ রক্ষার নীতি নির্ধারণে ডঃ বি আর আম্বেদকর অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছেন। আক্ষরিক অর্থে তিনি ছিলেন শ্রমজীবী বঞ্চিত মানুষের প্রতিনিধি। ১৯৩৬ সালে তিনি "স্বতন্ত্র শ্রমিক পার্টি" গঠন করেন এবং মুম্বাইয়ের সেন্ট্রাল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৩৭ সালের এই নির্বাচনে তিনি ১৩ জন প্রার্থীকে সংরক্ষিত আসন এবং ৪ জন প্রার্থীকে সাধারণ আসন থেকে দাঁড় করান। এদের মধ্যে ১১ জন প্রার্থী সংরক্ষিত আসন থেকে এবং ৩ জন প্রার্থী সাধারণ আসন থেকে নির্বাচিত হন। ১৯৩৭ সালে ব্রিটিশ ভারতে শ্রম দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হলে ১৯৪২ সালে আম্বেদকর ভাইসরয় এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের প্রতিনিধি হিসেবে শ্রমমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার  গ্রহণ করেন। শ্রমমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি যে সংস্কারমূলক আইন কানুন ও নীতি রুপায়নে মনোনিবেশ করেন তা যেন  অগাস্ট স্পীজের শোষণহীন ভারসাম্য যুক্ত সামাজিক ন্যায় বিচারেরই এক অবিকল প্রতিচ্ছবি। মে দিবসের গঠনতন্ত্রের সাথে সহমত পোষণ করে বাবাসাহেব আম্বেদকর তার সীমিত সময় কালের মধ্যে (১৯৪২-১৯৪৬) এমন কিছু নির্দেশিকা এবং আইন কার্যকর করেন যা শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও মর্যাদা ফিরে পেতে রক্ষাকবচের কাজ করে।  এক ঝলকে এই আইন, কানুন এবং নীতিগুলি দেখলেই বোঝা যায় কী পরম মমতার সাথে আম্বেদকর শ্রমজীবী সাধারণ  মানুষের ক্ষময়য়ন ও অস্তিত্ব রক্ষায় ব্রতী ছিলেন।    
শ্রমমন্ত্রী হিসেবে আম্বেদকরের সংস্কারঃ
·         ১৯৪২ সালের ২৭শে নভেম্বর ইন্ডিয়ান লেবার কনফারেন্সের ৭ম অধিবেশনে একটি নির্দেশ জারি করে
·         ১২-১৪ ঘণ্টা কাজের পরিবর্তে ৮ ঘণ্টা করা হয়।
·         মেটার্নিটি বেনিফিট অ্যাক্ট 
·         ওমেন লেবার ওয়েলফেয়ার ফান্ড
·         ওমেন এন্ড চিলড্রেন লেবার প্রোটেকশন অ্যাক্ট
·         মহিলাদের ভূগর্ভে কয়লা খনিতে কাজ করা বন্ধ করেন
·         ইন্ডিয়ান ফ্যাক্টরি অ্যাক্ট
·         ন্যাশনাল এমপ্লয়মেন্ট এক্সেঞ্জ
·         এমপ্লয়ীস স্টেট ইন্সিওরেন্স (ইএসআই)
·         ইন্ডিয়াস ওয়াটার পলিসি এন্ড ইলেকট্রিক পাওয়ার প্লানিং
·          ডিয়ারনেস আলাউন্স (ডিএ) টু ওয়ার্কার
·         রিভিশন অব স্কেল অব পে ফর এমপ্লয়ীস
·         কোল এন্ড মাইকা মাইন প্রোভিডেন্ড ফান্ড, ১৯৪৬
·         লেবার ওয়েলফেয়ার ফান্ড, ১৯৪৪
·         পোষ্ট ওয়ার ইকনোমিক প্লানিং
·         ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ল
·         ইন্ডিয়ান ট্রেড ইউনিয়ন (আমেন্ডমেন্ট) বিল, ১৯৪৩
·         দামোদর ভ্যালি প্রজেক্ট এন্ড হিরাকুদ প্রজেক্ট, ১৯৪৫
·         হেলথ ইন্সিওরেন্স স্কিম
·         প্রোভিডেন্ড ফান্ড অ্যাক্ট
·         ফ্যাক্টরি আমেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট
·         লেবার ডিস্পিউট অ্যাক্ট
·         মিনিমাম ওয়েজেজ
·         লিগাল স্ট্রাইক অ্যাক্ট       

এই সমস্ত সংস্কারমূলক কাজগুলিকে বাবাসাহেব আম্বেদকর পরবর্তীকালে ভারতীয় সংবিধানে সমন্বিত করেছিলেন যাতে শ্রমজীবী সাধারণ মানুষ একটি শক্ত রক্ষা কবজ পায়। মে দিবসের গঠনতন্ত্রের সাথে ভারতীয় প্রেক্ষাপটটি যুক্ত করে  বাবা সাহেব বলেছিলেন, প্রাচীন কাল থেকেই ভারতের শ্রম বিভাজন স্থায়ী ভাবে জাত নির্ভর যা প্রগতির পথে অন্তরায় এবং ধ্বংসাত্মক। শিল্প গতিশীল। শিল্পের প্রগতির কারণেই শ্রমিককে তার জাতপাত থেকে অবশ্যই মুক্ত থাকতে হবে। যদি হিন্দু জাতি ব্যবস্থায় এই পরিবর্তন সাধিত না হয় তবে শিল্প ক্ষেত্রে ব্যাপক কর্মহীনতা তৈরি হবে। তিনি অনবদ্য দক্ষতায় ভারতীয় সংবিধানে জাত ব্যবস্থার সমস্ত সমস্যার নিরসন করে শ্রমজীবী মানুষের জীবনকে সুরক্ষিত করেছেন এবং মানুষকে মর্যাদার দিক থেকেও একাত্ম করার চেষ্টা করেছেন। মানুষের আত্মমর্যাদার এই একিকরণের প্রয়াস নিঃসন্দেহে সার্বভৌম সমাজতন্ত্র গড়ে তোলার পক্ষে এক বলিষ্ঠ পদক্ষেপ যা মে দিবসের ভাষণে আগস্ট স্পাইজের কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছিল।     
গত ৬ই ডিসেম্বর বাবা সাহেব ডঃ বি আর আম্বেদকরের মহাপরিনির্বাণ দিবসে দিল্লীর বিজয় ভবনে   লেবার এন্ড এমপ্লয়মেন্ট মিনিস্ট্রি আয়োজিত  এক অনুষ্ঠানে নোবেল বিজয়ী মাননীয় কৈলাস সত্যার্থী তাই যথার্থ বলেছেন, “It was because of Babasahebs farsightedness that most of the critical labour issues including forced labour, maternity benefit for women and working conditions were discussed and included in the Constitution of India when a large majority of the world was still discussing the means to address these issues”.


তত্ত্ব সূত্রঃ  
1.       Address of August Spies (October 7, 1886), From Voices of A People's History, edited by Zinn  and Arnove
2.      Progress of Industrial Revolution in England : History of Europe (1789-1945), J.N ghosh and Sons
3.      The Doctor and the Saint Ambedkar, Gandhi the battle against caste by Arundhuti Roy
4.      Some Unknown facts about Dr. Ambedkar on 'MAY DAY' also known as 'LABOR DAY'  Compiled & Edited by CBA (Channel Babasaheb Ambedkar) Community Media
5.      Volume 10 – Dr. Babasaheb Ambedkar as member of the Governor-General’s Executive Council (1942-46).
6.      জাত ব্যবস্থার বিলুপ্তি : Dr. B.R. Ambedkar   অনুবাদঃ রঞ্জিত শিকদার, ডঃ আম্বেদকর প্রকাশনী
7.      Tribute to Dr. Ambedkar, Labor and Employment Ministry 
 

Thursday, 14 April 2016

125 Birth Anniversary of Babasaheb Dr. B. R. Ambedkar : Bhikkhu Bodhipala

 Today 14th April we celebrate the day in India as the Ambedkar Jayanti. Dr. B. R. Ambedkar was born in 14th April 1891 in Madhya Pradesh. He was born in a Dalit family. He was born at a time when India practised caste difference and human beings were divided into groups who were not allowed to mix with each other and this went to such an extent that even shadows were also not allowed to fall on the other.
Babasaheb as he was fondly called struggled all his life but being a brilliant student he succeeded in reaching to the higher echelons of education through sheer dint of his scholastics and a little help from well wishers. He came out with flying colours in whatever he did.
Babasaheb dabbled in politics too when he was made the law minister in Pandit Jawaharlal Nehru's cabinet. He was also made the Chairman of the Constitution Drafting Committee and thus he was the chief architect of the Constitution of India which gives us such important characteristics of freedom, justice, equality, fraternity and liberty.

Dr. Ambedkar had given the call to be educated (Shikshit Bano), unite (Sanghatit Bano) and agitate (Sangharsh karo). This should be our motto in life if we have to achieve what is guaranteed in our Constitution. The Buddha also said the same to the Vajjis to sit and rise in unity, to discuss in unity and to raise your voice which is correct in unity.

Babasaheb had declared that it was not in his hands that he was born into the society practising untouchability that was being propagated by the Hindus but it was in his hands that he would not die as one. He therefore to clear the stigma of an untouchable showed to the millions of an ancient Path that was once prevalent in India but forgotten yet glorified beyond the shores of Indian boundaries that was the path of the Buddha which he embraced with millions of his Dalit brethren in 1956 giving not only himself and his community a lease of fresh air but at the same time recognising the regeneration of Buddhist Culture that was started in 1891 by Anagarika Dharmapala of Sri Lanka and Ven. Kripasaran Mahasthavir of Bengal which seemed to have borne fruit now.

Buddha's ideology of Ehipassiko, come and see, understand and question may have encouraged Babasaheb to embrace Buddha and His Teachings which amongst other things was the unflinching encouragement that it provides human beings to be his own God rather than to be subdued with One whom we can't see. The Buddha with his teachings respecting all faiths and ideologies has never encouraged mankind to glorify his own religion and scorn the others and showing vengeance but has always respected the other faiths to the utmost and has laid the onus on us to develop our mind and conscience to the utmost form of purity where there is non self and ego. This is what Ambedkar eschewed all his life.

Let us on this day on the occasion of the 125th Birth Anniversary of Babasaheb Dr. Bhimrao Ambedkar salute this man for his audacity to challenge the circumstances and come out with all glory in whatever field he chose to be. We have to study him more closely to understand him, to know him and to walk his path. Let this be this occasion. He is no more a leader for many but is a redeemer for the masses who hold him in very high esteem in the lanes and by lanes of the Dalit communities. Today and in the days to come we will see him as the heart of India in terms of social justice and an inclusive society where all are one and equal.

JAI BHIM

Bhikkhu Bodhipala
Kolkata
bodhipala.bdg@gmail.com

Tuesday, 12 April 2016

কালের ভবিষ্যলিপিঃ আম্বেদকরবাদ



সংঘ পরিবার বুঝে নিয়েছে যে ভারতকে হিন্দুস্তান বানানোর এটাই শেষ সুযোগ। কেননা তাদের টোল থেকে জন্মানো বিজেপি সরকার এখন একচ্ছত্র ভাবে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন। যা করার এখনি না করতে পারলে সাধের রামরাজ্য মগজেই শুকিয়ে যাবে। আলেয়ার আলোর মত উবে যাবে ব্রাহ্মন্যবাদের পরম্পরা এবং মিথ্যার মাইথলজি।


মোদির স্বচ্ছ ভারত বা মেক ইন ইন্ডিয়া যে ব্রাহ্মন্যবাদ পুনঃ প্রতিষ্ঠার এক সুচতুর কৌশল তা কিন্তু নানা ইস্যুতে উঠে আসছে। ক্রমশই মুখোশ খসে গিয়ে বেরিয়ে আসছে ব্রাহ্মন্যবাদের বীভৎসতা। এই মডিউলগুলিতে যে কী ভয়ঙ্কর বিষ মেশানো রয়েছে তা ভারতের মূলনিবাসী বহুজন সমাজ হাড়েহাড়ে বুঝে নিয়েছে। তারা বুঝে নিয়েছে যে এই স্বচ্ছ ভারত বা ভারত সাফাই অভিযানের নেপথ্যে লুকিয়ে আছে মূলনিবাসী দলিত বহুজনের (SC/ST, OBC and Minorities) নিকেশ অভিযান।

Thursday, 24 March 2016

Harichand Thakur's 205th birthday.Md OAJNABIO MANDAL. Sindrani




A total of 274 ex-students of University of Hyderabad have signed off on the letter below.



Mar 24, 2016 22:26 IST

 
A total of 274 ex-students of University of Hyderabad have signed off on the letter below.
UoH Alumni Open Letter against the institutional murder of Rohith Vemula, the return of Dr. Appa Rao as UoH’s VC, and the brutal display of state violence in campus.

Tuesday, 22 March 2016

“ HOLI HAI” An obnoxious Killing Festival in India.




“ HOLI HAI”

An obnoxious Killing Festival in India.

Recently   India was declared as the second most ignorant nation in the world. The sur

Tuesday, 1 March 2016

মাননীয়া স্মৃতি ইরানী মহাশয়াকে একটি খোলা চিঠিঃ


মাননীয়া
স্মৃতি ইরানী মহাশয়াকে একটি খোলা চিঠিঃ
Smt. Smriti Zubin Irani
Minister of Human Resource Development
302-C, Shastri Bhawan, New Delhi.



মহাশয়া,
হায়দারাবাদ বিশ্ব বিদ্যালয়ের গবেষক ছাত্র রোহিত ভেমুলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কেন আপনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে একাধিক চিঠি লিখে ছিলেন তার জবাব জানার জন্য এই চিঠি নয়। আপনাদের অসহিষ্ণুতা, ষড়যন্ত্র ও অবজ্ঞার জন্য কার্ল সাগানের মত একজন ভাবী লেখক তার মায়ের হাঁসি মুখ দেখতে পেল না তার জন্যও আমরা কৈফিয়ত চাইছি না।

Friday, 12 February 2016

সরস্বতী মহাভাগে ... শরদিন্দু উদ্দীপন





“গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের সমস্ত সরকারী প্রতিষ্ঠান থেকে সরস্বতী পূজা সহ সমস্ত ধর্মীয় অনুষ্ঠান বন্ধ হোক”

Wednesday, 10 February 2016

শহীদ তিলকা মাঝি : শরদিন্দু উদ্দীপন





দেলায়া বিরিদ পে দেলায়া তিঙ্গুন পে”
“শালা দ্যাশ আমার, মাটি আমার
তঁরা আমার মা কে কাড়েছিস
আমরা তদের জিউ লিয়ে ছাড়ব” ...
আমরা সিধু আমরা কানু, যেখানে মাটি লালে লাল, দেবব্রত সিংহ, পৃঃ ১৬

বাবা তিলকা মাঝিকে নিয়ে লিখতে গিয়ে অনিবার্য ভাবে এসে গেল তার যোগ্যতম উত্তরসূরি সন্তান সম সিধু-কানুর কথা। কেননা সিধু-কানু’র “হুলমাহা” এবং বাবা তিলকা’র “শালগিরা” ছিল একই সুরে বাঁধা মূলনিবাসী ভূমিপুত্রদের হৃতসম্মান পুরুদ্ধারের লড়াই। বিদেশী বনিক এবং দিকু মহাজনদের বিরুদ্ধে নিজেদের সংস্কৃতি  রক্ষার অদম্য লড়াই।

Friday, 5 February 2016

মেঘনাদ সাহা ও রোহিত ভেমুলা : দেবেশ রায়:

দেবেশ রায়রোহিত ভেমুলার মৃত্যু যে একই সঙ্গে আমাদের দেশব্যাপী নাগরিক সমাজে রাজনৈতিক সমাজে আলোড়ন তৈরি করছেএটা দেশের জনজীবনের পক্ষে খুব প্রয়োজনীয়।
কংগ্রেসের সহসভাপতি রাহুল গান্ধী এই কারণে দুবার হায়দরাবাদে গিয়েছেন রোহিতের মৃত্যুর বিরুদ্ধে ছাত্রদের সমাবেশে যোগ দিয়েছেন, এটাও দেশের জনজীবনের পক্ষে খুব প্রয়োজনীয়। অন্যান্য রাজনৈতিক দলেরও এই কর্তব্য ছিল।





Tuesday, 2 February 2016

আমি রহিত বলছি

রহিত বেমুলার আত্ম বলিদানের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।
কবিতাটিতে ভাষ্য দিয়েছেন - পবিত্র বিশ্বাস।

আমি রহিত বলছি
জগদীশচন্দ্র রায়(মুম্বাই)
M-09969368536

আমি রহিত বলছি
হ্যা, আমি রহিত বলছি।
প্রকৃতির নিয়মে আমার শরীরের মৃত্যু হয়েছে।  
কিন্তু এর পূর্বে তো আমার বেঁচে থাকার অধিকারের মৃত্যু হয়েছ।
তাই এই মৃত্যুটা ভীষণ জরুরি ছিল।
আমার এই মৃত্যু, তোমাদের জাগানোর জন্য।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জন্য।
আজ আমি তোমাদের মনে যে, অধিকারের অগুন জালাতে পেরেছি,
সে আগুনকে নিরন্তর জালিয়ে রাখতে পারবে তো?
পারবে কি এই বর্ণ বৈষম্যতাকে ধ্বংস করে দিতে?
তার জন্য তোমাদের আজই প্রতিজ্ঞা নিতে হবে।
হ্যা, আমি রহিত বলছি।
তোমাদের আর কবে ঘুম ভাঙ্গবে?
আর কতদিন পিষবে ব্রাহ্মণ্যবাদের জাঁতা কলে?
তোমাদের ঘুম ভাঙাতেই  
আমার শরীরটাকে চিরতরে ঘুম পাড়াতে হ’ল।
এই মৃত্যু, শুধু এক রহিতের মৃত্যু নয়।
এ মৃত্যু শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে অগ্নি শিখা প্রজ্বলনের বারুদ
হ্যা, আমি রহিত বলছি।
তোমরা কি পারবে সমস্ত বিভেদকে ছিড়ে-খুঁড়ে ফেলতে?
শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে দাবানল হয়ে জলতে?
পারবে কি সঠিক নেতৃত্বের নির্মাণ করতে?
যদি পার, সে দিন হাজার রহিত গাইবে ঘুম ভাঙানোর গান
সেদিন হাজার রহিত খুলে দেবে ঊষার দুয়ার।
পরিবর্তন আনবে এক নিকষ কালো রাত্রির।
_______________
আমি রহিত বলছি (২)
হ্যা, আমি রহিত বলছি।
তোমরাতো জানো,
এই ব্রাহ্মণ্যবাদই আমাদের হাজার বছর ধরে শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রেখেছিল।
আমাদের সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করে ছিল।
আর বঞ্চিত করেছিলে অস্ত্রের অধিকার থেকে।
কিন্তু সেই বঞ্চনার বিরুদ্ধে কুঠারাঘাত করলেন বুদ্ধ, আম্বেদকর।
তাঁরা আমাদের শেখালেন,
অধিকার কেউ কাউকে দেয়না, অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে হয়।
অধিকেরর জন্য বলিদান দিতে হয়।
আজ আমিও সেই অধিকারের জন্য জীবনকে উৎসর্গ করেছি।
হ্যা, আমি রহিত বলছি।
একবার চোখ খুলে দেখ,
এখনও ব্রাহ্মণ্যবাদের ভাইরাস
দেশ সমাজ ও জাতিকে প্রগতির বিরুদ্ধে হয়ে উঠেছে প্রতিবন্ধক।
তারা কখনও চায়না তোমরা সত্যিকারের মানুষ হও।
তোমরা তোমাদের ন্যাজ্য অধিকার পাও।
তাই বন্ধু আর দেরী নয়।
ওঠো, জাগো, তুলে নেও বিজ্ঞান ও যুক্তির হাতিয়ার।
ভেঙে ফেলে দাও ওই ব্রাহ্মণ্যবাদের প্রাচীর।
ঘরে ঘরে পৌঁছে দাও শিক্ষা ও সাম্যের আলো।
হ্যা, আমি রহিত বলছি।
একটা কথা তোমরা কিন্তু মনে রেখো।
ওরা কিন্তু তোমাদের অধিকারকে বন্ধ করার জন্য আরও নির্দয়ী হবে।
তোমাদের প্রগতির সকল রাস্তাকে ওরা রুদ্ধ করে দেবে।
বদনাম আর অপপ্রচারে জনগণকে করবে বিভ্রান্ত।
ওরা শুধু  মুখেই বলবে তোমাদের জন্য সাম্যের কথা
কিন্তু পিছন ফিরে চেয়ে দেখ, ইতিহাস কি বলছে?
না, ওরা কোনদিন তোমাদের অধিকার দেয়নি।
ওরা একলব্যের আঙ্গুল কেঁটে গুরুকে করেছে গরিষ্ঠ।
ওরা চুনি কোটালকে মেরেছে, আর আজ আমাকেও মারল।
আর আগামীকালও কিন্তু তোমাদের ছেড়ে দেবেনা।
তাই ওদের কথায় ভুলে গিয়ে
তোমাদের লড়াইকে থামিয়ে রেখোনা।
হ্যা, আমি রহিত বলছি।
একথা শুধু আমার মুখের কথা নয়।
এটা আমার গভীর উপলব্ধির আত্ম প্রকাশ।
ওরা আজ শিক্ষার অধিকারকে বন্ধ করতে না পেরে,
শিক্ষা ব্যবস্থাটাকেই করেছে হাতিয়ার।
আগামীদিনের শিশুর সামনে তুলে ধরছে ব্রাহ্মণ্যবাদের পঠন-পাঠন।
মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করচে, অলৌকিকতার ধুম্রজাল।
তোমাদের গড়ে তুলছে মেরুদন্ডহীনতায়,
তাই আর নয় বন্ধ, জীবনকে করো পণ।
ব্রাহ্মণ্যবাদের গোলামী থেকে মুক্ত হ’তে গড়ে তোল আন্দোলন।
_____________________
রহিত বেমুলার আত্ম বলিদানের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।
কবিতাটিতে ভাষ্য দিয়েছেন - পবিত্র বিশ্বাস।



Sunday, 24 January 2016

সুরালোকে জয় জয় হে মহিষাসুর মর্দিনী !!!


বেদের সময় দেবতারা দুটো প্লানেট বানিয়েছিলেন।
স্বর্গলোক আর মর্তলোক।
দেবতারা আবার আকাশকে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন এই দুই লোকের মধ্যে।
কি বিশ্বাস হচ্ছেনা?

আরে বাবা বিশ্বাস করুন দেবতারা সব পারেন।
পারেন বলেই তারা আবার একটি প্লানেট তৈরি করলেন।
তার নাম দিলেন পিতৃলোক।
আপনারা বলতেই পারেন আবার “পিতৃলোক” কেন বাবা?
স্বর্গেতো খানাপিনার অভাব নেই!
অবাধ ফুর্তি আর অবাধ সুরা!
ওটাই তো দেবতাদের স্থায়ী ঠিকানা!
আরে বোঝেন না কেন?
ওটাতো অমর লোক!
ওখানে জন্ম নেই মৃত্যুও নেই!
আর ওখানে দেবতাদের সংখ্যা এতো বেশি!
বাপ রে বাপ অত সংখ্যায় উর্বশী নেই!
কোথাও না কোথাও দেবতাদের বংশ রক্ষা করতে হবেতো?
তাই দেবতারা মাঝে মাঝে মর্তলোকে আসেন।
লীলা করেন।
হাজার হাজার মর্তের নারীকে সুরাসংস্কৃতি শেখান।
দেবালয় স্থাপন করেন।
দেবদাসী সংগ্রহ করেন।
দেবালয়ের পাশেই সুরাপল্লী গড়ে তোলেন।
আবার এই সুরাপল্লীর সংস্কৃতিকে একেবারে অন্দরমহল পর্যন্ত নিয়ে যাবার জন্য পুরুতগিরি করতে হয়।
ঝক্কি তো কম নয় বাবা!
ঝুকিও আছে।
এই ঝুকি পূর্ণ কাজ করতে গিয়ে মর্তের নিয়মানুসারে দেবতাদের মৃত্যু হতে পারে।
ওহ থুড়ি! থুড়ি!
আগেই বলে রাখা উচিৎ ছিল যে, মর্তের বামুনেরা হল দেবতাদের এলিয়েন( যজুর্বেদ অনুসারে)।
তা এই মর্তের বাতাস লেগে দেবতাদের মৃত্যু হলেতো চলবেনা বাপু!
তাদের আবার স্বর্গলোকে ফিরতে হবে।
তাই স্বর্গলোকে ফেরার আগে বিশুদ্ধতা যাচাই করার প্রয়োজন।
কিন্তু ততদিন ওই দিদেহী এলিয়েনের একটা থাকার জায়গা করে দিতে হবে তো?
তাই পিতৃলোকের পরিকল্পনা।
ওই পিতৃলোকে অবস্থান কালে এলিয়েনেরা স্বর্গলোকে যাবার জন্য প্রেতাত্মা হয়ে ঘুরে বেড়াবে।
তাদের ক্ষেত্রজেরা পৃথিবীতে অবস্থানকারী আর একটা বামুন ডেকে আদ্যশ্রাদ্ধ করবেন।
গুষ্টির পিণ্ডী দেবেন।
তারপর পিতৃপক্ষের শেষ হবে।
সুচনা হবে মাতৃপক্ষের।
অর্থাৎ পৃথিবীতে আরো কত মাকে সুরা সংস্কৃতির আওতায় নিয়ে আসা যায়, আরো কত সুরাপল্লী বানানো যায়, সুরা সংস্কৃতিকে একেবারে প্রত্যহিক করে তোলা যায় তার প্রস্তুতি সুরু হবে। এই মহান কাজকে আলয় আলয় পর্যন্ত ধ্বনি প্রতিধ্বনিত করে তুলতে হবে। মানুষের ঘুম ভাঙবে মহালয়ার এই পূন্য সুরাসংস্কৃতির আহ্বানে। “ইয়া দেবী সর্ব ভুতেসু মাতৃরূপেন সংস্থিতা”।
১৯৩১ সালে মর্তের এলিয়েনরা বাংলার বুকে এমনি এক সুরা সংস্কৃতির অবতারণ করলেন। পিতৃকুলকে সুরালোকে পাঠানোর জন্য, মর্তের মাকে সুরাপল্লীর উপযুক্ত করে গড়ে তোলার জন্য তৈরি হল মহিষাসুর মর্দিনীর উপখ্যান।
বানীকুমার রচনা করলেন স্তোত্র।
পঙ্কজ মল্লিক দিলেন সুর ও তাল।
বীরেন্দ্র কুমার ভদ্র দায়িত্ব নিলেন গ্রন্থনার।
গন্ধর্ব, কিন্নর, কিন্নরীদের সুললিত কণ্ঠে আকাশবাণীর মাধ্যমে ধ্বনিত হল “আয়ে গিরি নন্দিনী নন্দিতা মেদিনী... জয় জয় হে মহিষাসুর মর্দিনী...।।

Saturday, 23 January 2016

Ami Rohit bolchi

Ami Rohit bolchihttp://www.mediafire.com/…/8v1761p7r8d…/Ami_Rohit_bolchi.mp3

রহিত বেমুলার আত্ম বলিদানের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।
কবিতাটিতে ভাষ্য দিয়েছেন - পবিত্র বিশ্বাস।

Thursday, 21 January 2016

টুসু গানঃ শরদিন্দু উদ্দীপন


পৌষের সোনালী ধান কৃষকের প্রাণ
কৃষাণীর বুক ভরা মধু
এ যেন স্বপ্নের সিঁড়ি জীয়ন সোপান
একমুঠো ভালবাসা একরাশ যাদু।

শীতের কুয়াশা চিরে এক ফালি রোদ
যেমন উষ্ণতা দেয়,
উতপ্ত উদীপ্ত করে যবুথবু প্রান,
শিশুদের ঘুম ভাঙ্গে আদরে আদরে
তেমনি সোনালী ধান কৃষকের খামারে খামারে,
নিভৃতে নিরবে গায় জীবনের গান।

ভাঙ্গা গড়া সংসার,
জোড়াতালি দেওয়া ভালবাসা,
ইতিউতি ছোপ ধরা খসে পড়া জীর্ণ দেওয়াল,
আবার সাকার হয় মাটির পরশে,
নিবিড় প্রেমের টানে আলপনার অম্লান এ ভাষা।

রাখালিয়া বাঁশি বাজে, সুর জেগে ওঠে, 
পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে,
ডূংরির চুড়ায় চুড়ায়
সুপন্নখা থেকে ধানসিঁড়ি ধরে
তুসালির গন্ধ মাখা পাড়ায় পাড়ায়।

এই গান, জীবনের গান,
কাল থেকে কালান্তরে চলে আসে
নবান্নের ঢেঁকিতে ঢেঁকিতে।
নলেন গুড়ের রসে দুধসরে ভেজা
কৃষাণীর হাতে গড়া পরম্পরায়।

My birth is my fatal accident: Full text of Dalit student Rohith’s suicide letter

V Rohith, a Dalit PhD scholar committed suicide on Sunday, leading to protests across Hyderabad Central University. Here's the letter he wrote before committing suicide.


Good morning,

I would not be around when you read this letter. Don’t get angry on me. I know some of you truly cared for me, loved me and treated me very well. I have no complaints on anyone. It was always with myself I had problems. I feel a growing gap between my soul and my body. And I have become a monster. I always wanted to be a writer. A writer of science, like Carl Sagan. At last, this is the only letter I am getting to write.
I always wanted to be a writer. A writer of science, like Carl Sagan.
I loved Science, Stars, Nature, but then I loved people without knowing that people have long since divorced from nature. Our feelings are second handed. Our love is constructed. Our beliefs colored. Our originality valid through artificial art. It has become truly difficult to love without getting hurt.
The value of a man was reduced to his immediate identity and nearest possibility. To a vote. To a number. To a thing. Never was a man treated as a mind. As a glorious thing made up of star dust. In every field, in studies, in streets, in politics, and in dying and living.
I am writing this kind of letter for the first time. My first time of a final letter. Forgive me if I fail to make sense.
My birth is my fatal accident. I can never recover from my childhood loneliness. The unappreciated child from my past.
May be I was wrong, all the while, in understanding world. In understanding love, pain, life, death. There was no urgency. But I always was rushing. Desperate to start a life. All the while, some people, for them, life itself is curse. My birth is my fatal accident. I can never recover from my childhood loneliness. The unappreciated child from my past.
I am not hurt at this moment. I am not sad. I am just empty. Unconcerned about myself. That’s pathetic. And that’s why I am doing this.
People may dub me as a coward. And selfish, or stupid once I am gone. I am not bothered about what I am called. I don’t believe in after-death stories, ghosts, or spirits. If there is anything at all I believe, I believe that I can travel to the stars. And know about the other worlds.
If you, who is reading this letter can do anything for me, I have to get 7 months of my fellowship, one lakh and seventy five thousand rupees. Please see to it that my family is paid that. I have to give some 40 thousand to Ramji. He never asked them back. But please pay that to him from that.
Let my funeral be silent and smooth. Behave like I just appeared and gone. Do not shed tears for me. Know that I am happy dead than being alive.
“From shadows to the stars.”
Uma anna, sorry for using your room for this thing.
To ASA family, sorry for disappointing all of you. You loved me very much. I wish all the very best for the future.
For one last time,
Jai Bheem
I forgot to write the formalities. No one is responsible for my this act of killing myself.
No one has instigated me, whether by their acts or by their words to this act.
This is my decision and I am the only one responsible for this.